১. পোশাক বিধি (School Uniform)
স্কুল শাখা:
ছাত্র: সাদা শার্ট (মনোগ্রাম যুক্ত), কালো প্যান্ট ও সাদা কেডস।
ছাত্রী: নেভি ব্লু কামিজ, সাদা সেলোয়ার, সাদা ওড়না, রুমাল ও সাদা কেডস (প্রয়োজনে কালো বোরখা)।
কলেজ শাখা:
ছাত্র: অ্যাশ কালার শার্ট, কালো প্যান্ট ও কালো জুতা।
ছাত্রী: অ্যাশ কালার সেলোয়ার, কামিজ, অ্যাশ কালার স্কার্ফ ও ওড়না এবং সাদা কেডস (প্রয়োজনে অ্যাশ কালার বোরখা)।
২. উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা
বাধ্যতামূলক উপস্থিতি: প্রতিটি পার্বিক (সাময়িক) পরীক্ষার পূর্বে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে কমপক্ষে ৮০% উপস্থিতি থাকা বাধ্যতামূলক। সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া ৮০% উপস্থিতি না থাকলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না।
অনুপস্থিতির নিয়ম: * কোনো কারণে আগে থেকে অনুপস্থিত থাকতে হলে শ্রেণি শিক্ষকের সুপারিশসহ অধ্যক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
আকস্মিক অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে, প্রথম উপস্থিতির দিনই সঠিক কারণ দর্শিয়ে শ্রেণি শিক্ষকের সুপারিশসহ অধ্যক্ষের কাছে ছুটির দরখাস্ত জমা দিতে হবে।
অসুস্থতার কারণে টানা ৩ দিন বা তার বেশি অনুপস্থিত থাকলে, দরখাস্তের সাথে চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র (Medical Certificate) সংযুক্ত করতে হবে এবং পিতা বা মাতাকে বিদ্যালয়ে আসতে হবে।
নাম কাটা ও জরিমানা: প্রতি মাসে ৫ দিন বা তার বেশি দিন বিনা শান্তিতে অনুপস্থিত থাকলে শিক্ষার্থীর নাম কাটা যাবে। সেক্ষেত্রে পুনঃভর্তি ফি এবং জরিমানা সহ মোট ১,০০০ টাকা (৫০০+৫০০) প্রদান করে পুনরায় ভর্তি হতে হবে।
সহ-পাঠ্যক্রম: প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর জন্য স্কাউট এবং গার্লস গাইডে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
৩. পরীক্ষা পদ্ধতি ও ফলাফল
শিক্ষাবর্ষ বিভাজন: শিক্ষাবর্ষটি মূলত দুটি পর্বে বিভক্ত— অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক (১ম-৫ম, ৮ম, ১০ম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে ভিন্ন পদ্ধতি প্রযোজ্য)।
ফলাফল মূল্যায়ন: শ্রেণি উত্তীর্ণের ক্ষেত্রে ১০০ নম্বরের পার্বিক পরীক্ষার ৯০% এবং ১০% নম্বরের টিউটোরিয়াল পরীক্ষার ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি হবে। চূড়ান্ত ফলাফলে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ৩০% এবং বার্ষিক পরীক্ষার ৭০% নম্বর যোগ করা হবে।
কলেজ শাখা: কলেজ শাখার ক্ষেত্রে প্রতি পার্বিক পরীক্ষার ফলাফল আলাদাভাবে বিবেচনা করা হবে।
পাস নম্বর: প্রতিটি বিষয়ে পাস নম্বর ৪০। তবে সৃজনশীল (Creative) অংশে কমপক্ষে ১৫ নম্বর পেতে হবে।
৪. মাসিক বেতন পরিশোধের নিয়মাবলী
টাকা জমা দেওয়ার স্থান ও সময়: প্রতি মাসের বেতন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, সিদ্ধিরগঞ্জ পুল শাখায় (অফিস চলাকালীন সকাল ১০:০০ টা থেকে দুপুর ১২:০০ টার মধ্যে) জমা দিতে হবে।
বিলম্ব ফি (জরিমানা): নির্ধারিত সময়ের পরে বেতন পরিশোধ করলে প্রতি মাসের জন্য ২০ টাকা হারে জরিমানা প্রদান করতে হবে।
নাম কাটা যাওয়ার নিয়ম: ১ম মাসের বেতন পরবর্তী মাসে অথবা ৩য় মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ না করলে ছাত্র-ছাত্রীদের নাম কাটা যাবে। সেক্ষেত্রে অধ্যক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পুনঃভর্তি ফি ও জরিমানাসহ সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ করে পুনরায় ভর্তি হতে হবে।